অনুমোদনের জন্য খসড়া

এনএমএফএল ২০২৬ প্রতিযোগিতার নিয়মাবলি

সংস্করণ ১৩ অক্টোবর ২০২৬। বিএমএফএর অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবিত; এখনো কার্যকর নয়।

কর্তৃত্বের ঘোষণা

এই ঘরোয়া প্রতিযোগিতার সব প্রশাসনিক, ক্রীড়া, নিয়ন্ত্রক, শৃঙ্খলাজনিত, বাণিজ্যিক ও পরিচালনাগত সিদ্ধান্ত কেবল বিএমএফএ তার যথাযথভাবে মনোনীত কর্মকর্তা বা সংস্থার মাধ্যমে নেবে। ডব্লিউএমএফের ‘রুলস অব দ্য গেম’ শুধু খেলার আইনের কারিগরি রেফারেন্স; এর মাধ্যমে এনএমএফএলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ডব্লিউএমএফ, এএনএমসি বা অন্য কোনো সত্তার হাতে যায় না। প্রযোজ্য আইন বা বাধ্যতামূলক বাহ্যিক দায় অপরিবর্তিত থাকবে।

১কর্তৃত্ব ও অংশগ্রহণ

  1. ১.১জাতীয় মিনিফুটবল লীগ (এনএমএফএল) ২০২৬ একটি প্রস্তাবিত ঘরোয়া ক্লাব প্রতিযোগিতা, যা বিএমএফএ আয়োজন করে এবং এককভাবে পরিচালনা করে।
  2. ১.২অংশগ্রহণকারী ক্লাব, লীগের সময়সূচি, ভেন্যু, ম্যাচ নিয়োগ, নিবন্ধন, শাস্তি, ফলাফল, আপিল, পুরস্কার, মিডিয়া ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থা বিএমএফএ অনুমোদন করবে।
  3. ১.৩প্রস্তাবিত প্রথম ফরম্যাটে ষোলোটি ক্লাব: ঢাকায় আটটি ও চট্টগ্রামে আটটি। প্রবেশ বিএমএফএর লাইসেন্স ও সই করা অংশগ্রহণ চুক্তি সাপেক্ষ।
  4. ১.৪প্রকাশিত যথাযথ প্রক্রিয়ার নিয়ম অনুযায়ী নথিভুক্ত কারণে বিএমএফএ কোনো ক্লাবের প্রবেশ গ্রহণ, প্রত্যাখ্যান, স্থগিত বা বাতিল করতে পারে।
  5. ১.৫বিএমএফএ সুনির্দিষ্টভাবে কোনো প্রশাসনিক কাজ অর্পণ না করলে কোনো বাইরের সংস্থা, আয়োজক, বাণিজ্যিক অংশীদার বা সেবাদাতা লীগের বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত দিতে পারবে না; চূড়ান্ত কর্তৃত্ব বিএমএফএর।

২ক্লাব, স্কোয়াড ও অ্যাক্রেডিটেশন

  1. ২.১প্রস্তাবিত সর্বোচ্চ মৌসুমি নিবন্ধন প্রতি ক্লাবে ২৪ জন খেলোয়াড় এবং ম্যাচ তালিকায় সর্বোচ্চ ১৫ জন; নিবন্ধন শুরুর আগে বিএমএফএ চূড়ান্ত সীমা অনুমোদন করবে। আগের ১৬ জনের প্রস্তাব কেবল এই খসড়ার জন্য বাতিল।
  2. ২.২শুধু বিএমএফএ-অ্যাক্রেডিটেড খেলোয়াড় ও নিবন্ধিত কর্মকর্তারা খেলতে বা টেকনিক্যাল এরিয়ায় ঢুকতে পারবেন। বেঞ্চে সর্বোচ্চ ছয়জন কর্মকর্তা প্রস্তাবিত, বিএমএফএর নিশ্চিতকরণ সাপেক্ষে।
  3. ২.৩প্রত্যেক খেলোয়াড় বিএমএফএ-গ্রহণযোগ্য পরিচয়পত্র দেবেন এবং খেলার আগে সশরীরে বা বিএমএফএ-অনুমোদিত অন্য উপায়ে পরিচয় যাচাই সম্পন্ন করবেন।
  4. ২.৪সব ম্যাচ তালিকা বিএমএফএর প্রকাশিত সময়সীমার মধ্যে জমা দিতে হবে। বদলি খেলোয়াড়েরা ভিন্ন রঙের বিব পরবেন এবং এই লীগের জন্য গৃহীত ডব্লিউএমএফ বদলি পদ্ধতি মানবেন।
  5. ২.৫নিবন্ধনের সময়সীমা, দলবদল, বিদেশি খেলোয়াড়ের সীমা, যুব কোটা ও স্কোয়াডের ব্যতিক্রম কেবল বিএমএফএ লিখিত সার্কুলারের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে।

৩খেলার নিয়ম ও ম্যাচের সময়

  1. ৩.১এনএমএফএল ২০২৬-এর জন্য বিএমএফএ ওয়ার্ল্ড মিনিফুটবল ফেডারেশনের ‘রুলস অব দ্য গেম’-এর একটি নির্দিষ্ট সংস্করণ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করবে, কারিগরি সার্কুলারে বিএমএফএ যেসব ২০২৬ সংশোধনী সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করবে সেগুলোসহ।
  2. ৩.২ডব্লিউএমএফের মানক ফরম্যাট প্রতি দলে ছয়জন, একজন গোলরক্ষকসহ; মাঠে চারজনের কম খেলোয়াড় থাকলে ম্যাচ শুরু বা চালু রাখা যাবে না।
  3. ৩.৩প্রস্তাবিত ম্যাচের সময় ২৫ মিনিটের দুই অর্ধ, মাঝে ১০ মিনিট বিরতি। বিএমএফএ গৃহীত ডব্লিউএমএফ সংস্করণের সাথে এটি মিলিয়ে কিক-অফের আগে ম্যাচের সময়ের নিয়ামক নিয়ম প্রকাশ করবে।
  4. ৩.৪ফাউল, খেলা পুনরারম্ভ, পেনাল্টি, গোলরক্ষকের আচরণ, বদলি ও ম্যাচ কর্মকর্তার ক্ষমতাসহ খেলার আইনের বিষয়গুলো গৃহীত ডব্লিউএমএফ কারিগরি নিয়মে চলবে; বিএমএফএ নীরবে ফুটসাল বা ১১-জনের ফুটবলের আইন বসাবে না।
  5. ৩.৫যেকোনো ম্যাচের আগে বিএমএফএ মাঠ, গোলপোস্ট, বল ও টেকনিক্যাল এরিয়ার মাপ এবং ভেন্যু পরিদর্শনের মানদণ্ড প্রকাশ করবে।
  6. ৩.৬ডব্লিউএমএফের নিয়মে প্রতিযোগিতাভিত্তিক পরিবর্তনের সুযোগ থাকলে কেবল বিএমএফএ তা অনুমোদন করে আগাম প্রকাশ করতে পারবে।

৪সরঞ্জাম ও সুবিধা

  1. ৪.১ক্লাবগুলো দুই রঙের দুটি খেলার কিট নিবন্ধন করবে, গোলরক্ষক ও ম্যাচ কর্মকর্তার রং আলাদা থাকবে এবং জার্সি নম্বর হবে অনন্য।
  2. ৪.২শিন গার্ড ও নিরাপদ জুতা বাধ্যতামূলক; গয়না ও ঝুঁকিপূর্ণ ধাতব স্টাডের জুতা নিষিদ্ধ, গৃহীত ডব্লিউএমএফ নিয়মবই সাপেক্ষে।
  3. ৪.৩সব ম্যাচ ভেন্যু মাঠের দাগ, গোলপোস্ট, আলো, নিরাপদ প্রবেশপথ, চিকিৎসা ব্যবস্থা ও পোশাক বদলের সুবিধার জন্য বিএমএফএ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন করবে।
  4. ৪.৪কারিগরি পর্যালোচনার পর বিএমএফএ জুতা ও সরঞ্জামের একটি সংযোজনী প্রকাশ করবে; এএনএমসির আগের জুতাসংক্রান্ত পরিশিষ্ট প্রত্যাহার করা হলো।

৫খেলোয়াড়ের যোগ্যতা ও সুরক্ষা

  1. ৫.১প্রযোজ্য সময়সীমায় খেলোয়াড়কে একটি যোগ্য এনএমএফএল ক্লাবে নিবন্ধিত থাকতে হবে এবং কোনো চলমান নিষেধাজ্ঞা থাকা চলবে না।
  2. ৫.২বিএমএফএ ন্যূনতম বয়স ও ১৪–১৮ বছর বয়সী যুব খেলোয়াড়ের কোটা প্রকাশ করবে। অভিভাবকের সম্মতি ও সুরক্ষা নীতি মানা ছাড়া ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো খেলোয়াড় নিবন্ধন করা যাবে না।
  3. ৫.৩বিদেশি খেলোয়াড়ের সীমা ও যাচাইয়ের শর্ত বিএমএফএ নির্ধারণ করবে; দুজন বিদেশি খেলোয়াড়ের আগের প্রস্তাব এখনো বাধ্যতামূলক নয়।
  4. ৫.৪অযোগ্য খেলোয়াড় খেলালে বিএমএফএর শুনানির পর ০–৫ ব্যবধানে হার এবং আনুপাতিক আরও শাস্তি হতে পারে, প্রকাশিত ঘরোয়া বিধি সাপেক্ষে।

৬লীগের কাঠামো, পয়েন্ট ও টাই-ব্রেক

  1. ৬.১প্রথম পর্ব: ঢাকা ও চট্টগ্রামে আটটি করে ক্লাব নিয়ে দুটি ডিভিশন। প্রতিটি ডিভিশন সিঙ্গেল রাউন্ড-রবিন খেলবে (২৮টি ম্যাচ); মোট ৫৬টি ডিভিশন ম্যাচ।
  2. ৬.২প্রতিটি ডিভিশনের সেরা চার ক্লাব আট দলের প্রস্তাবিত জাতীয় পর্বে উঠবে। এটি সুপার লীগ, নকআউট নাকি মিশ্র ফরম্যাট হবে তা কেবল বিএমএফএ ঠিক করবে এবং সূচি ও বাছাইয়ের নিয়ম প্রকাশ করবে।
  3. ৬.৩জয়ে তিন, ড্রয়ে এক এবং হারে শূন্য পয়েন্ট।
  4. ৬.৪দুই ক্লাবের পয়েন্ট সমান হলে প্রস্তাবিত টাই-ব্রেকের ক্রম: মুখোমুখি ফল; সামগ্রিক গোল ব্যবধান; করা গোল; কম শৃঙ্খলা পয়েন্ট; বিএমএফএর তত্ত্বাবধানে লটারি।
  5. ৬.৫তিন বা ততোধিক ক্লাব সমান হলে: সমান ক্লাবগুলোর নিজেদের ম্যাচে পয়েন্ট, গোল ব্যবধান ও করা গোল; তারপর সামগ্রিক গোল ব্যবধান, সামগ্রিক করা গোল, শৃঙ্খলার রেকর্ড এবং বিএমএফএর তত্ত্বাবধানে লটারি।
  6. ৬.৬কেবল টাই-ব্রেকের জন্য হলুদ কার্ডে এক পয়েন্ট, সরাসরি লাল বা দুই হলুদে বহিষ্কারে তিন পয়েন্ট। নিষেধাজ্ঞার সীমা বিএমএফএ আলাদাভাবে প্রকাশ করবে।
  7. ৬.৭জাতীয় পর্বের আগে বিএমএফএ গৃহীত ডব্লিউএমএফ কারিগরি সংস্করণ অনুযায়ী নকআউটের অতিরিক্ত সময় ও শুটআউটের নিয়ম প্রকাশ করবে।

৭ম্যাচ দিনের কার্যক্রম ও কর্মকর্তা

  1. ৭.১রেফারি, ম্যাচ পর্যবেক্ষক, কমিশনার, টাইমকিপার ও অন্যান্য ম্যাচ কর্মকর্তা কেবল বিএমএফএ তার অনুমোদিত প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেবে।
  2. ৭.২ম্যাচ কর্মকর্তা ও পর্যবেক্ষকেরা কিক-অফের অন্তত ৬০ মিনিট আগে উপস্থিত হবেন; ক্লাবগুলো বিএমএফএর নির্দেশমতো দলের তালিকা ও পরিচয়ের প্রমাণ জমা দেবে।
  3. ৭.৩গৃহীত ডব্লিউএমএফ ‘রুলস অব দ্য গেম’ অনুযায়ী মাঠে খেলার আইনের স্বাধীন কর্তৃত্ব রেফারির; প্রতিযোগিতার প্রশাসন ও ম্যাচ-পরবর্তী সব নিষ্পত্তির কর্তৃত্ব বিএমএফএর।
  4. ৭.৪দাপ্তরিক ম্যাচ প্রতিবেদনে স্কোর, খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ, সতর্কতা, বহিষ্কার, ঘটনা ও যেকোনো বিঘ্ন লিপিবদ্ধ হবে; বিএমএফএ লীগের ফলাফল অনুমোদন ও প্রকাশ করবে।
  5. ৭.৫কোনো দল ১০ মিনিটের বেশি দেরিতে এলে ০–৫ ব্যবধানে হার ঘোষিত হতে পারে, বিএমএফএর ফোর্স ম্যাজিওর সিদ্ধান্ত ও যথাযথ প্রক্রিয়া সাপেক্ষে।

৮শৃঙ্খলা, প্রতিবাদ ও আপিল

  1. ৮.১বিএমএফএ নিজস্ব শৃঙ্খলা কমিটি ও স্বাধীন আপিল প্রক্রিয়া গঠন করবে; এএনএমসি বা বাইরের কোনো টুর্নামেন্ট কমিটি এনএমএফএলের মামলার সিদ্ধান্ত দেবে না।
  2. ৮.২প্রতিযোগিতার আগে বিএমএফএ শাস্তি, হলুদ কার্ড জমার নিয়ম, ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, অসদাচরণের শ্রেণি, প্রতিবাদের সময়সীমা ও ফি প্রকাশ করবে।
  3. ৮.৩সংশ্লিষ্ট পক্ষ অভিযোগের নোটিশ, জবাব দেওয়ার সুযোগ, লিখিত কারণ এবং বিএমএফএর নিয়মাবলি অনুযায়ী আপিলের পথ পাবে।
  4. ৮.৪সততা লঙ্ঘন, বৈষম্য, নিপীড়ন, সহিংসতা, ম্যাচ পাতানো ও অননুমোদিত খেলোয়াড় নিবন্ধন বিএমএফএর প্রকাশিত বিধি ও প্রযোজ্য আইনে শাস্তিযোগ্য।
  5. ৮.৫ঘরোয়া প্রতিযোগিতার প্রশাসনে বিএমএফএর চূড়ান্ত অভ্যন্তরীণ আপিল সিদ্ধান্তই প্রযোজ্য হবে, প্রযোজ্য আইনগত অধিকার সাপেক্ষে।

৯নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও বিমা

  1. ৯.১বিএমএফএ ম্যাচ দিনের ন্যূনতম চিকিৎসা পরিকল্পনা, যোগ্য প্রাথমিক চিকিৎসাকর্মী, জরুরি পরিবহনের পথ ও ঘটনা প্রতিবেদনের পদ্ধতি অনুমোদন করবে।
  2. ৯.২প্রতিটি ক্লাব বিএমএফএর খেলোয়াড় বিমা ও মেডিকেল ছাড়পত্রের শর্ত মানবে; বিএমএফএ আয়োজন-পর্যায়ের বিমার আওতা ও ব্যতিক্রম জানাবে।
  3. ৯.৩ভেন্যু বা পরিস্থিতি অনিরাপদ হলে বিএমএফএ বা অনুমোদিত রেফারি গৃহীত ডব্লিউএমএফ ‘রুলস অব দ্য গেম’ অনুযায়ী খেলা স্থগিত করতে পারবেন।

১০স্থগিতকরণ ও ফোর্স ম্যাজিওর

  1. ১০.১আবহাওয়া, নিরাপত্তা, ভেন্যুর ত্রুটি, জনজরুরি অবস্থা বা অন্য যৌক্তিক কারণে কেবল বিএমএফএ ম্যাচের সময় বা ভেন্যু বদলাতে পারবে।
  2. ১০.২সম্ভব হলে বিঘ্নিত ম্যাচ বিঘ্নের সময়কার স্কোর ও পরিস্থিতি থেকে আবার শুরু হবে; প্রকাশিত পদ্ধতিতে বিএমএফএ পুনরায় খেলা, চালিয়ে যাওয়া বা ফলাফলের সিদ্ধান্ত দেবে।
  3. ১০.৩ন্যায্যতা, ম্যাচের সততা, অতিক্রান্ত সময় ও কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য বিবেচনা করে বিএমএফএ লিখিত সিদ্ধান্ত দেবে।

১১পুরস্কার ও বাণিজ্যিক স্বত্ব

  1. ১১.১প্রকাশিত পুরস্কার নীতির অধীনে বিএমএফএ চ্যাম্পিয়ন ট্রফি, রানার্সআপ পুরস্কার, পদক ও ব্যক্তিগত পুরস্কার দেবে।
  2. ১১.২লীগের নাম, প্রতিযোগিতার ব্র্যান্ডিং, স্পনসরশিপ, সম্প্রচারের অনুমতি, দাপ্তরিক পরিসংখ্যান ও বাণিজ্যিক অনুমোদন কেবল বিএমএফএর নিয়ন্ত্রণে, বিদ্যমান বৈধ অধিকার সাপেক্ষে।
  3. ১১.৩যেকোনো ঠিকাদার কেবল বিএমএফএ-অনুমোদিত আলাদা চুক্তির অধীনে সেবা দিতে পারবে এবং তার স্বাধীন নিয়ন্ত্রক বা শৃঙ্খলাজনিত কর্তৃত্ব থাকবে না।

১২ব্যাখ্যা, সংশোধন ও কার্যকর হওয়ার তারিখ

  1. ১২.১প্রথম ম্যাচের আগে বিএমএফএ চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার নিয়মাবলি, গৃহীত ডব্লিউএমএফ নিয়মবইয়ের সংস্করণ ও কারিগরি সার্কুলার জারি করবে।
  2. ১২.২খেলার আইনের ব্যাখ্যায় সুনির্দিষ্টভাবে গৃহীত ডব্লিউএমএফ কারিগরি নিয়ম প্রযোজ্য; ঘরোয়া লীগের কাঠামো ও প্রশাসনে বিএমএফএর নিয়মাবলি প্রযোজ্য, প্রযোজ্য আইন সাপেক্ষে।
  3. ১২.৩কেবল বিএমএফএ লিখিত সার্কুলারের মাধ্যমে এই নিয়মাবলি ব্যাখ্যা বা সংশোধন করতে পারবে। আইনের প্রয়োজন বা নিরাপত্তা ও ন্যায্যতার জন্য অপরিহার্য না হলে পরিবর্তন ভূতাপেক্ষ হবে না।
  4. ১২.৪বিএমএফএর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, প্রকাশ ও ক্লাবগুলোর কাছে প্রচারের পরই এই খসড়া বাধ্যতামূলক হবে।

পরিশিষ্ট ক: কারিগরি গ্রহণের চেকলিস্ট

  • গৃহীত ডব্লিউএমএফ ‘রুলস অব দ্য গেম’ সংস্করণ ও প্রযোজ্য ২০২৬ হালনাগাদ নির্দিষ্ট করা।
  • ছয়-জনের মাঠ, গোলপোস্ট, বল, মাঠের উপরিতল, বদলি অঞ্চল ও টেকনিক্যাল এরিয়া অনুমোদন।
  • ২৫ + ২৫ মিনিটের ম্যাচ, বিরতি, বাড়তি সময় ও শৃঙ্খলাজনিত খেলার আইন নিশ্চিত করা।
  • খেলোয়াড়ের সংখ্যাসীমা, ন্যূনতম বয়স, যুব ও বিদেশি খেলোয়াড়ের কোটা অনুমোদন।
  • জাতীয় পর্বের ফরম্যাট, নকআউট টাই-ব্রেক, নিষেধাজ্ঞা ও আপিল পদ্ধতি নিশ্চিত করা।
  • ভেন্যুর নিরাপত্তা, রেফারি নিয়োগ, বিমা ও ক্লাব লাইসেন্স অনুমোদন।